Showing posts with label কৃষি যন্ত্র. Show all posts
Showing posts with label কৃষি যন্ত্র. Show all posts

ব্রি হস্ত চালিত গুটি ইউরিয়া প্রয়োগযন্ত্র

Saturday, August 7, 2010


বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের ফার্ম মেশিনারী এন্ড পোষ্ট হারেভষ্ট টেকনোলজি (এফএমপিএইচটি) বিভাগ একটি হস্তচালিত গুটি ইউরিয়া প্রয়োগ যন্ত্র উদ্ভাবন করেছে যার মাধ্যমে একজন শ্রমিক প্রতি ঘন্টায় একবিঘা জমিতে গুটি ইউরিয়া প্রয়োগ করতে পারে। প্রচলিত পদ্ধতিতে একজন শ্রমিক সারাদিনে দক্ষতাভেদে ২০-৩০ শতাংশ জমিতে গুটি ইউরিয়া প্রয়োগ করতে পারে। সুতরাং প্রচলিত পদ্ধতির তুলনায় যন্ত্রের কার্ষক্ষমতা ৭-৮ গণ বেশী।

উদ্ভিদের জন্য অত্যাবশকীয় পুষ্টি উপাদানগুলির মধ্যে নাইট্রোজেন অন্যতম। দেশে ব্যবহৃত মোট ইউরিয়া সারের প্রায় ৮০ শতাংশ ধান উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। ধানের জমিতে প্রয়োগকৃত ইউরিয়া পর্যায়ক্রমে হাইড্রোলাইসিস, অ্যামোনিফিকেশন, নাট্রিফিকেশন, ডি- নাট্রিফিকেশন, ভোলাটিলাইজেশন ও পারকোলেশন প্রক্রিয়ায় গ্যাস হয়ে বাতাসে উড়ে যায়, চুইয়ে মাটির নীচে চলে যায় অথবা পানির সাথে অন্য জমি বা খালে ধুয়ে গিয়ে অপচয় হয়। নাইট্রোজেন সার ব্যবস্থাপনায় মাটির ২-৩ ইঞ্চি নীচে গুটি ইউরিয়া প্রয়োগের মাধ্যমে ইউরিয়া সারের কার্যকারিতা প্রায় ৪০ থেকে ৭০ শতাংশে উন্নিত করা সম্ভব। কিন্তু গুটি ইউরিয়া সঠিক নিয়মে জমিতে প্রয়োগ করা অত্যন্ত শ্রম ও শ্রমিক নির্ভর হওয়ায় কৃষক তা ব্যবহার করতে আগ্রহী নয়। এই সমস্যা সমাধানের লক্ষে হস্ত চালিত গুটি ইউরিয়া প্রয়োগযন্ত্রটি উদ্ভাবন করা হয়েছে।

ব্রি উদ্ভাবিত গুটি ইউরিয়া প্রয়োগযন্ত্রটি একজন শ্রমিকের দ্বারা সহজেই চালানো সম্ভব। এক সাথে দুই সারিতে গুটি ইউরিয়া প্রয়োগ করা যায়। বিধায় যন্ত্রের কার্যকারিতা অনেক বেশী। যন্ত্রের নির্মাণ কৌশল অত্যন্ত সহজ হওয়ায় এটি তৈরি ক্রটি দরীকরণ ও সংরক্ষণ করা সহাজ। গুটি ইউরিয়া একসারি পরপর নিদিস্ট দুরত্বে জমিতে প্রয়োগ করতে হয় বিধায় সারি থেকে সারির দূরত্ব ২সে.মি এবং চারা থেকে চারার দূরত্ব ২০ সে. মি. বিবেচনা করে যন্ত্রটি তৈরি করা হয়েছে। যন্ত্রাটির মাধমে জমিতে নালা (Furrow) তৈরি এবং বন্ধ করার ব্যবস্থাসহ ৬-৮ সে. মি. গভীরে গুটি ইউরিয়া প্রয়োগ করা যায়। যন্ত্রটি দুটি স্কীডের উপর পদ্ধতগত ভাবে নির্মিত। দুটি স্কীডের মধ্যে বিদ্যমান চালক চাকার (Drive wheel) সাখে শ্যাফটের মাধ্যমে দুই পাশের দু’টি মিটারিং ডিভাইস সংযুক্ত। মিটারিং ডিভাইস দুটি গুটি ইউরিয়া ধারক বক্সে ( Hopper) মধ্যে এমন ভাবে সংযুক্ত করা যাতে চালক চাকাটি একটি ঘূর্ণনের সম্পন্ন করলে মিটারিং ডিভাইসও একটি ঘূর্ণন সম্পন্ন করে। প্রতিটি মিটারিং ডিভাইসে ছয়টি করে কাপ সংযুক্ত আছে। চালক চাকা ঘূণনের সাথে সাথে মিটারিং ডিভাইস ঘুরার গুটি ইউরিয়ার বক্স হতে কাপের মাধ্যমে গুটি সংগ্রহ করে বক্সের সাথে সংযুক্ত নির্গমন (Outlet)পথে ফেলে দেয়। নির্গমন পাইপটি স্কীডের নীচে সংযুক্ত নালা তৈরিকারক (Furrow opener) ডিভাইসের পিছনে সংযুক্ত থাকায় বক্স হতে সংগৃহীত গুটি নালার মধ্যে নির্গমন হয় যা পুনরায় স্কীডারের পিছনে সংযুক্ত নাল বন্ধকারকের ( Furrow choser) মাধ্যমে ঢেকে দেয়া হয়। উল্লেখ্য যে, দু,টি স্কীডের উপর গুটি ইউরিয়ার ধারক বক্স দু,টি মধ্যের চালক চাকা বরাবর স্থাপন করা আছে। চালক চাকার একটি ঘূর্ণনের মাধ্যমে যন্ত্রটি ২৪০ সেমি দূরত্ব অতিক্রম করে এবং প্রতি প্রতিটি মিটারিং ডিভাইসে ছয়টি করে কাপ সংযুক্ত থাকায় ২৪০ সেমি দূরত্বের মধ্যে ৬ টি গুটি ইউরিয়া প্রতিস্থাপিত হয় ফলে গুটি হতে গুটির দূরত্ব হয় ৪০ সেমি।
জমিতে যন্ত্রটি নেয়ার পূ্র্ব যন্ত্রের বিভিন্ন ঘূর্ণয়মান অংশে মবিল/ গ্রীস দিতে হবে। যন্ত্রটি চালানোর সময় এমন ভাবে জমিতে স্থাপন করতে হেব। যাতে দই পাশের দুটি স্কীড ও মধ্যের চালক চাকা সরি বরাবর থাকে। গুটি ইউরিয়া বক্সের ২/৩ অংশ পরিমান গুটি দ্বারা পূর্ন করতে হবে। সামনের দিকে ঠেলার (Push) মাধ্যমে যন্ত্রটি চালাতে হবে।জমির এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে যেয়ে পুনরায় যন্ত্রটি এক সারি পর স্থাপন করে পূর্বর মত চালাতে হবে। যন্ত্র চালানোর সময় লক্ষ্য রাখতে হবে। যেন গুটি প্রয়োগ করা সারিতে পা রাখা না হয়। অর্থ্যাৎ মাধ্যের সারি বরাবর পা রেখে যন্ত্রটি চালাতে হবে। যেহেতু জমিতে চারা লাগানোর ৮/১০ দির পর গুটি ইউরিয়া প্রয়োগ করতে হয়। তাই সে সময় জমি অত্যন্ত কর্দমাক্ত থাকে । ফলে যন্ত্রটি চালানোর সময় জমিতে ছিপছিপে পানি থাকা অত্যাবশ্যক।

যন্ত্রটি উদ্ভাবনে প্রধান গবেষক হিসাবে কাজ করেছেন ফার্ম মেশিনারী এন্ড পোষ্ট হারভেষ্ট টেকনোলজি বিভাগের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ইঞ্জি: মোঃ আনোয়ার হোসেন। তাছাড়া যন্ত্রটি উদ্ভাবনে সহ- গবেষক হিসাবে কাজ করেছেন ফার্ম মেশিনারী এন্ড পোষ্ট হারভেষ্ট টেকনোলজি বিভাগের ড.মোঃ সাইদুল ইসলাম (মূখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এবং বিভাগীয় প্রধান), ড.মোঃ দুররুল হুদা ( উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা) ইঞ্জি: মোঃ গোলাম কিবরিয়া ভূ্ঞা (উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা),ইঞ্জি বিধান চন্দ্র নাথ (বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা)এবং খামার যন্ত্রপতি ও রক্ষনাবেক্ষণ বিভাগের ইঞ্জি: মাহবুবুল আলম জামী ( প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এবং বিভাগীয় প্রধান)। এফএমপিএইচটি বিভাগের গবেষণা ওয়ার্কশপের সিনিয়র মেকানিক জনাব মোঃ আকরাম হোসেন এবং বেঞ্চ মেকানিক জনাব কুমার পাল নকশা অনুযায়ী যন্ত্রটি তৈরী করেছেন।

সূত্র: ইউরো বাংলা

স্ব-চালিত কর্তনকারী যন্ত্র


-এটি খাড়াভাবে বহনকরা একটি কর্তনকারী উইনড্রোয়ার ।
-শক্তির উৎস হিসাবে এতে ৪.৪ হর্স (hp)পাওয়ারের ডিজেল ইঞ্জিন সংযুক্ত থাকে।
-ধান এবং গম কাটার উপযুক্ত ।
-শুকনো এবং ভেজা এমন কি ১০ সে.মি. পর্যন্ত জমে থাকা জলা ভুমিতে ও কাজ করতে পারে ( ভেজা কর্দমাক্ত মাটি ছাড়া)।
-উৎপাদন ক্ষমতা :ধান ০.১৬-০.১৮ হেক্টর /ঘন্টা; গম ০.২৫-০.২৭ হেক্টর /ঘন্টা।
-৯৫%-৯৬% শ্রম সাশ্রয়ী ।
-ধান কাটার ক্ষেত্রে ৭৩%এবং গম কাটার ক্ষেত্রে ৪৩% খরচ কমায়।
-মূল্য ৬০,০০০ টাকা বা ১০০০ মার্কিন ডলার।

সূত্র: ইউরো বাংলা

আলুর শ্রেণীবিন্যাসকারী


আলুর শ্রেণীবিন্যাসকারী :

-৪ হর্ম (hp)পাওয়ার ইঞ্জিন বা মোটর দ্বারা চালিত।

-৪ আকৃতিতে শ্রেণীবিন্যাস করতে পারে।

-স্থানীয় কারখানায় উৎপন্ন হতে পারে।

-উৎপাদন ক্ষমতা ঘন্টায় ১.৬০ টন।

-মূল্য ১৮,০০০ টাকা বা ৩০০ মার্কিন ডলার (ইঞ্জিন বা মোটর ছাড়া)।


তথ্যসূত্র : দি-এডিটর


ব্রি উদ্ভাবিত ঘাস কাটার যন্ত্র


বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট একটি নতুন ধরনের ঘাস কাটার যন্ত্র উদ্ভাবন করেছে। যন্ত্রটি দেশের বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস, পার্ক, বোটানিক্যাল গার্ডেন, জেলা এবং উপজেলা পরিষদ, সার্কিট হাউস, স্কুল, কলেজ, আধুনিক ভবন, অবকাশ কেন্দ্র, পার্ক, হোটেল-মোটেলের আঙিনা, প্রবেশপথ এবং রাস্তার দু’ধারের ঘাস কাটার জন্য খুবই উপযোগী। যন্ত্রটির ঘাস কাটার ক্ষমতা প্রচলিত ঘাস কাটার যন্ত্রের চেয়ে তুলনামূলকভাবে বেশি। ব্রি ঘাস কাটা যন্ত্রটি দামে সস্তা এবং জ্বালানি সাশ্রয়ী।

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের খামার যন্ত্রপাতি ও রক্ষণাবেক্ষণ বিভাগের প্রধান মাহবুবুল আলম জামী এটি উদ্ভাবন করেছেন। যন্ত্রটি ঘন্টায় ১.৮ বিঘা জমির ঘাস কাটতে পারে। যন্ত্রটির কর্তন ব্লেডের ব্যাস ৩২ ইঞ্চি বিধায় অল্প সময়ে অধিক পরিমাণ জমির ঘাস কাটে। স্বচালিত এ যন্ত্রটিতে জ্বালানি হিসেবে ডিজেল ব্যবহার করা হয়। এতে জ্বালানি ব্যয় হয় ঘন্টায় ০.৫ থেকে ০.৭ লিটার, যার বাজার মূল্য বর্তমানে ২৪ থেকে ২৮ টাকা। পক্ষান্তরে বিদেশ থেকে আনা ঘাস কাটা যন্ত্র পেট্রল, গ্যাসোলিন দিয়ে চালাতে হয় বলে খরচ অনেক বেশি লাগে। দেশের যেকোনো ওয়ার্কশপে তা নির্মাণ ও মেরামত সম্ভব হয় না। অথচ ব্রি ঘাস কাটা যন্ত্রের যন্ত্রাংশগুলো সাধারণ বলে দেশের যেকোনো ওয়ার্কশপে নির্মাণ ও মেরামত সম্ভব। যন্ত্রটি তৈরি প্রসঙ্গে গবেষক মাহবুবুল আলম জামী বলেন, ব্রি মাঠগুলোর সৌন্দর্য বজায় রাখার জন্য ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকায় বিদেশ থেকে আনা ঘাস কাটা যন্ত্রগুলো তিন থেকে চার মাস ব্যবহারের পর নষ্ট হয়ে গেলে ব্রি ওয়ার্কশপে নিয়ে আসা হতো। কিন্তু বাজারে এর যন্ত্রাংশ না পাওয়ায় মেরামত সম্ভব হতো না। এ অবস্খা থেকে উত্তরণের জন্য তিনি অটোক্যাড প্রোগ্রামিংয়ে নিজস্ব ডিজাইন অনুযায়ী ব্রি ওয়ার্কশপে এটি তৈরি করেন। সম্প্রতি ব্রি’র মহাপরিচালক ড. মো: নূর-ই-এলাহী, পরিচালক (গবেষণা) ড. এম এ ছালাম, পরিচালক (প্রশাসন) ডা. বি এ এ মুস্তাফি ও ব্রি’র বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধানদের উপস্খিতিতে ব্রি খেলার মাঠ এবং ব্রি প্রগতি স্কুল মাঠে যন্ত্রটির মাঠ দক্ষতা যাচাই করা হয়। এর মাঠ দক্ষতা চমৎকার বলে উপস্খিত সবাই মন্তব্য করেন। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ব্রি বার্ষিক গবেষণা পর্যালোচনা সভায় উপস্খাপন করলে ব্রি’র মহাপরিচালক ও বিজ্ঞানীরা এর ভূয়সী প্রশংসা করেন। এ প্রসঙ্গে জামী জানান, কর্তৃপক্ষের পরামর্শ অনুযায়ী বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরির মাধ্যমে এটি বাজারজাত করা হবে।

কারিগরি বিষয়

ব্রি ঘাস কাটা যন্ত্রটির কারিগরি বিষয় বেশ সহজ। এর ব্লেড সহজেই পরিবর্তনযোগ্য। এটি ঘূর্ণন গতিতে কাজ করে। এর ঘূর্ণন গতি ১২৫০ আরপিএম। এটি চার অশ্বক্ষমতাসম্পন্ন ডিজেলচালিত ইঞ্জিন বিধায় ওজনে হালকা, এর মাঠ ক্ষমতা ০.২৪৩ হেক্টর/ঘন্টা, মাঠ দক্ষতা প্রায় ৮৭ শতাংশ। এটি ভূমি থেকে ৪-৬ সেন্টিমিটার উচ্চতায় ঘাস কাটে। এর জ্বালানি খরচ মাত্র ০.৫-০.৭ লি/ঘন্টা। এর সম্মুখ ৩.৫ কিলোমিটার/ঘন্টা বলে হেঁটে হেঁটে চালানো সম্ভব।

বিশেষ সুবিধা

-মাঠে ঘাস কাটার ক্ষমতা তুলনামূলকভাবে বেশি,

-জ্বালানি খরচ কম,

-ওজনে হালকা

-যেকোনো ওয়ার্কশপে মেরামত করা সম্ভব

-মেরামত খরচ কম।

তথ্যসূত্র : দি-এডিটর

ভুট্টার খোসা ছাড়ানেরা যন্ত্র


বারি পাওয়ার মেইজ শেলার (বড়)/বারির উদ্ভাবিত ভুট্টার খোসা ছাড়ানেরা যন্ত্র (বড়):
-৯ হর্ম (hp)পাওয়ার এর ডিজেল ইঞ্জিন বা মোটর দ্বারা চালানো হয়।
-কার্যক্ষমতা ৩ টন/ঘন্টা; উৎপাদন ক্ষমতা ৯৮ %।
-মূল্য ২০,০০০ টাকা (৩৩৩ ডালার) ইঞ্জিন ছাড়া।

তথ্যসূত্র : দি-এডিটর

সৌরচালিত পানির পাম্প


সৌরচালিত পানির পাম্প : সমস্যা ও সম্ভাবনা


কৃষি প্রধান বাংলাদেশে কৃষি জমিতে সেচ একটি গুর্বত্বপূর্ন কাজ। মোট আমদানিকৃত ২৬-২৭ লাখ মে.টন ডিজেলের এক পঞ্চমাংশ সেচকাজে ব্যবহৃত হয়। ডিজেলচালিত মোট ১১ লাখ অগভীর এবং এলএলপি পাম্পের মাধ্যমে সারাদেশে প্রায় ৭৭ ভাগ কৃষি জমিতে সেচ প্রদান করা হয়। অন্যদিকে বিদ্যুতের মাধ্যমে ২৩ শতাংশ জমিতে সেচ দেয়া হয় যাতে প্রায় ৪০০-৫০০ মেঘাওয়াট বিদ্যুত খরচ হয়। যেহেতু পর্যাপ্ত শক্তি অপ্রতুল তাই প্রতিবছর বিশেষ করে শুষ্ক মৌসুমে সেচকার্যের মারাত্নক ব্যাঘাত ঘটে। তাই যদি সৌর চালিত পাম্প চালু করা যায় তা হবে একটি যুগান্তকারী পরিবর্তন যাতে বিদ্যুত ও ডিজেল নিয়ে আর চিন্তা করতে হবে না।

অব্যাহতভাবে ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধিও দরিদ্র কৃষকদের সেচখরচ অনেকাংশে বৃদ্ধি করে (যদিও বর্তমান সরকার ৰমতা গ্রহনের অব্যবহিত পরেই ডিজেলের মূল্য ৰানিক হৃাস করে এবং কৃষকদের সরাসরি ভর্তুকি প্রদানের প্রতিশ্র্বতি দেয়)। তাছাড়া শুষ্ক মৌসুমে মোট বিদ্যুত উৎপাদনের চেয়ে চাহিদা অনেক বেশি থাকায় স্বাভাবিক সেচ কার্যক্রম ব্যহত হয়। সময়মত সেচ প্রদান করতে না পারায় ফসলের ফলনে এর বিরূপ প্রভাব পড়ে। এ পরিসি'তিতে সৌর চালিত পাম্প বিদ্যূত ও ডিজেলের বিকল্প হিসেবে শক্তির চাহিদা মিটাতে সৰম হবে। ৫,৬০০-৪৫,০০০ লিটার পানি সরবরাহে সৰম ৩০০-২,৪০০ ওয়াট ৰমতা সম্পন্ন সৌর পানির পাম্পের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ যেমন সৌদি আরব, চীন, জাপানে সেচ প্রদান করা হয়। উদাহরণস্বরূপ ১,৮০০ ওয়াট ৰমতাসম্পন্ন একটি সৌরচালিত পানির পাম্পের মাধ্যমে ২০ মিটার গভীর থেকে দৈনিক ৮২,০০০ লিটার পানি সরবরাহ করা সম্ভব যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ১০.২৭ লাখ টাকা। এ মূল্যের সহিত ১০ বছর পরে অতিরিক্ত ২ লাখ টাকা দিয়ে একটি পাম্প পূন:স'াপন করতে হবে যার ২০ বছর পরে মূল্য দাড়ায় ১২.২৭ লাখ টাকা। এ হিসেবে ১ লিটার পানির উত্তোলনের খরচ দাড়ায় ০.২৫ পয়সা। অন্যদিকে ৫ অশ্বশক্তি ৰমতা সম্পন্ন একটি ডিজেলচালিত পাম্প একই পরিমান পানি উত্তোলনে শুধু ডিজেল খরচ বাবদ ২০ বছরে খরচ হবে ১৩.২৮ লাখ টাকা (প্রতি লিটার ডিজেল ৪০ টাকা হিসেবে)। এর মাধ্যমে প্রতি লিটার পানি উত্তোলনে খরচ হবে ০.২৭ টাকা।

সৌরচালিত পানির পাম্পের সুবিধা:

১. সৌর চালিত পানির পাম্প চালু করলে প্রতি পাম্পে প্রায় ২৫,০০০ কেজি কার্বন ডাই অক্সাইড থেকে পরিবেশ রৰা পাবে।
২. যদি প্রায় ১৩ লাখ ডিজেল চালিত পাম্পকে সৌর চালিত পাম্পে রূপান্তর করা হয় তাহলে প্রতিবছর প্রায় ১৪ লাখ ডিজেলের সাশ্রয় হবে যা প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা খরচ থেকে দেশকে রৰা করবে।
৩. শুষ্ক মৌসুমে বিদ্যুত ও ডিজেলের অভাবে সেচ কার্য বাধাগ্রস' হবে না।
সমস্যা:
আমাদের দেশের অধিকাংশ কৃষক প্রান্তিক শ্রেণীর তাই তাদের পৰে একক ভাবে বিপুল পরিমান টাকা যোগান দিয়ে সৌর পাম্প স'াপন করা সম্ভব নয়। পাশাপাশি সৌর পাম্পের রৰণাবেৰণ করার জন্য যে কারিগরি দৰতা প্রয়োজন তা আমাদের অধিকাংশ কৃষকেরই অনুপসি'ত। সৌর বিদ্যুত স'াপনের জন্য কৃষি ঋণের অপর্যাপ্ততা এ খাতে অন্যতম বড় সমস্যা।
সম্ভাবনা:
সরকারি সহায়তার মাধ্যমে কৃষকদের সংগঠিত করে কমিউনিটি ভিত্তিতে সৌর পাম্প চালু করা সম্ভব। ইতোমধ্যে সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে সারাদেশে প্রতি উপজেলায় অনেক আইপিএম কৃষক ক্লাব প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে। এ ক্লাবগুলোকে সংগঠিত করে সেখানে কার্যকরভাবে সৌর চালিত পানির পাম্প অনায়াসে স'াপন করা সম্ভব। আমাদের দেশের আবহাওয়া বিশেষ করে শুষ্ক মৌসুমে পরিষ্কার সূর্যের আলো অনুকুল থাকায় সৌর পাম্প কার্যকারিতা অটুট থাকবে। বাংলাদেশের যে সমস্ত এলাকায় বিদ্যুৎসরবরাহ নেই অথবা ডিজেল সরবরাহেরও যথাযথ ব্যবস'া নেই যেমন পার্বত্য ও দ্বীপ এলাকার বিস্তীর্ন কৃষি জমিকে সৌর চালিত পানির পাম্পের সাহায্যে চাষের আওতায় আনা সম্ভব হবে।

সুত্রঃ মো. আবদুলৱাহীল বাকী ভূইয়া, প্রভাষক, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর ও প্রাক্তন এইও (এল আর), এআইএস।


লো-লিফ্ট পাম্প


ব্যবহারের সুবিধা: বহনযোগ্য, সহজ স্থাপন, নিজস্ব ক্ষমতা, উক্ত পাম্প সেচ ও পানি নিস্কাশন প্রভৃতি কাজের উপযোগী৷

বর্ণনা: এই পাম্প সহজলভ্য দেশীয় কাঁচামাল দ্বারা স্থানীয়ভাবে প্রস্তুতকৃত, যে কারণে স্বল্প খরচে মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ করা যায়৷ এই পাম্প সেন্ট্রীফিউগ্যাল পাম্পের দ্বিগুন পানি উঠাতে সক্ষম কারণ পাম্প এর পাখা বিশেষ কারিগরী পদ্ধতিতে তৈরি৷

কারিগরী বিবরণ: শক্তি ৫-৮ অশ্বশক্তি, ওজন ৪৫ কেজি (ইঞ্জিন ব্যতীত), আয়তন (দৈ:−প্র:−উ:): ৩৭০− ৫৮−১৫০ সে.মি., গতি ১৫০০-১৬০০ প্রতি মি:, উত্তোলন ক্ষমতা ৪ মিটার৷, জ্বালানি খরচ ১ লিটার ডিজেল (প্রতি ঘন্টায়), সরবরাহ ক্ষমতা ৫০ লিটার (প্রতি সেকেন্ডে), নির্গমন পথ ১৫ সে.মি., প্রবেশপথ ১৫ সে.মি.

প্রস্তুতকারক: আলীম ইন্ডাস্ট্রিজ লি:

তথ্যসূত্র : দি-এডিটর

জ্যাকটো স্প্রেয়ার


ব্রাজিল থেকে আমদানীকৃত বাজারের সেরা জ্যাকটো স্প্রেয়ার যা ধান, চা, ইক্ষু, গোলআলু, শাকসবজি, আম, কলা ইত্যাদি কৃসিখামার বা বাগানে কীটপতঙ্গ, ছত্রাক এবং আগাছা সঠিকভাবে দমনের জন্য জ্যাকটোর তৈরী পিজে- ১৬ একটি উন্নত প্রযুক্তিসম্পন্ন স্প্রে মেশিনে। এই স্প্রে মেশিন অত্যন্ত নিভরযোগ্য.কার্যকরী এবং দীঘস্থায়ী।

"হস্ত চালিত সেপ্রয়ার, উন্নততর স্প্রেয়ার, সহজতর বারাই দমন"

পিজে- ১৬ সেপ্রয়ার এর বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ:

* এই স্প্রে মেশিনের ট্যাঙ্ক ১৬ লিটার ধারন ক্ষমতাসম্পন্ন। ট্যাঙ্কটি ঘন,পুরু পলিথিলিন দিয়ে তৈরী যা অত্যন্ত শক্ত ও মজবুত। ফলে ট্যাঙ্কটি দীঘস্থায়ী।
* কীটনাশক,ছত্রাকনাশক, আগাছানাশক বা তরল সার ব্যবহারের জন্য ভিন্ন ভিন নজেল লাগানো যায়। অথ্যাৎ কেবলমাত্র নজেল বদলিয়ে একই মেশিনের বহুমখী ব্যবহার সম্ভব।
* এই স্প্রে মেশিনের সাহায্যে একদিকে যেমন বালাইনাশক সূক্ষ্ম কনার ন্যায় সেপ্র করা যায অন্যদিকে তেমনি প্রায় ১৮ পুট পযন্ত উচ্চতায় সেপ্র পৌছানো সম্ভব হয়। ফলে শাকসবজি চওড়া মাচায়, আমগাছে বা কলা বাগানে সেপ্র করার জন্য এই মেশিনে অত্যন্ত উপযোগী।
* এই স্প্রে মেশিনের ট্রিগারে বিশেষ ব্যবস্থা আছে যার ফলে অবিরাম সেপ্র করা যায়।
* এই স্প্রে মেশিনের †P¤^vi - এর সাথে একটি এজিটেটর সংযুক্ত আছে। লিভার উঠানামার সাথে সাথে এজিটেটরটি ট্যাঙ্কের ভিতরে উঠানামা করতে থাকে। ফলে কখনই কোন বালাইনাশক ট্যাঙ্কের নীচে তলানী হিসেবে জমা হতে পারে না এবং শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একই মাত্রায় স্প্রে হতে থাকে।

বিক্রয়োক্তর সেবা:

* স্প্রেয়ার ক্রয়কারীন সময়ে বিনামূল্যে এক সেট অতি প্রয়োজনীয় খুচরা যন্ত্রাংশ এবং বিক্রয়োক্তর সেবার কার্ড সরবরাহ।
* ক্রয়ের তারিখ হতে এক বছর পর্যন্ত কোনরুপ এুটি দেখা দিলে বিনামূল্যে তা মেরামতের নিশ্চয়তা।
* সার্বক্ষণিক খুচরা যন্ত্রাংশ সরবরাহের নিশ্চয়তা।

তথ্যসূত্র : দি-এডিটর

স্যালো মেশিন


স্যালো মেশিন র্বতমানে আমাদের দেশের কৃষির সাথে নিবিড় ভাবে জড়িয়ে গেছে । কারন আমাদের কৃষিকাজে পানি একটি অতি প্রয়োজনীয় উপকরন ।
আর সেই পানির চাহিদা মেটাতেই বর্তমানে ব্যপকভাবে স্যালো মেশিনের ব্যবহার বাড়ছে । স্যালো মেশিনের সাহায্যে সেচ দিয়ে র্বতমানে ১০-১৫ গুন

তথ্যসূত্র : দি-এডিটর

হাইড্রো টিলার মেশিন (আগাছা দূর করার যন্ত্র )


উপযোগীতা: স্বাভাবিক ও অস্বাভাবিক কাঁদা ও পানি যুক্ত মাঠে চাষাবাদ করে জমির আগাছা কেটে মাটিতে মিশিয়ে সবুজ সার তৈরি করতে সক্ষম৷

বর্ণনা: স্বল্প মূল্যে সংযোজন এবং স্থানীয়ভাবে ছোট ছোট কারখানায় সুলভ মূল্যেও যন্ত্রাংশ দ্বারা মেরামত করার সুবিধা রয়েছে৷ হাইড্রো টিলার ভাসমান অবস্থায় যে কোনো লোক সহজভাবে চালিয়ে কর্দমুক্ত করতে পারে৷

কারিগরী বিবরণ: শক্তি ৫-ঌ অশ্বশক্তি, ওজন ১০৫ কেজি (ইঞ্জিন ব্যতীত), আয়তন (দৈ:−প্র:−উ:): ১ঌ৫−১০০−৭৫ সে.মি., মাঠে চলার গতি ২.৫ কি:মি: প্রতি ঘন্টায়৷, ক্ষমতা ২ একর প্রতিদিন৷

প্রস্তুতকারক: আলীম ইন্ডাস্ট্রিজ লিঃ

তথ্যসূত্র : দি-এডিটর

পাওয়ার রিপার মেশিন


বৈশিষ্ট্য:
* উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন
* অধিক স্থায়িত্ব
* বিক্রয়োত্তর সেবা
* সহজ পরিচালনা
* স্বল্প খরচ
* বিবিধ ব্যবহার

বর্ণনা: আলীম পাওয়ার রিপার দিয়ে দৈনিক ৮/১০ বিঘা ধান, গম ভুট্টা, সরিষা, সয়াবিন ইত্যাদি শষ্য সহজে কাটা সম্ভব৷ দেশীয় প্রযুক্তিতে বিশেষ ধরনের ধাতু দিয়ে প্রস্তুত করায় অধিক স্থায়িত্বের নিশ্চয়তাসহ সহজে চালনা এবং রক্ষণাবেক্ষণ করা যায়৷

কারিগরী বিবরণ: শক্তি ৪/৫ অশ্বশক্তি, আয়তন (দৈ:−প্র:−উ:)২৩০−১৫০−১২০ সে.মি., ওজন ২০০ কেজি, ক্ষমতা ৮/১০ বিঘা প্রতিদিন।

প্রস্তুতকারক: আলীম ইন্ডাস্ট্রিজ লি:

তথ্যসূত্র : দি-এডিটর

মাড়াই কল


যন্ত্রের বৈশিষ্ট্য:
* উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন
* স্বল্প খরচ
* স্থায়িত্ব
* সহজ পরিচালনা
* বিবিধ ব্যবহার
* বিক্রয়োত্তর সেবা

ব্যবহারের সুবিধা: দেশের প্রথম উদ্ভাবিত আলীম মাড়াই কল দিয়ে ধান, গম, প্রভৃতি সহজভাবে মাড়াই করে শতকরা ১০০ ভাগ খড় থেকে আলাদা করা সম্ভব৷

যন্ত্রের বর্ণনা: বিশেষ ধরনের ধাতু দিয়ে প্রস্তুত করায় অধিক স্থায়িত্বের নিশ্চয়তাসহ এই মেশিন ইলেক্ট্রিক মটর/ ডিজেল ইঞ্জিন দ্বারা চালিত এবং সহজ কারিগরী পদ্ধতি থাকায় চালনা এবং রক্ষণাবেক্ষণ করা সহজ৷

যন্ত্রের কারিগরী বিবরণ:
* শক্তি: ৬-১৬ অশ্বশক্তি
* আয়তন (দৈXপ্রXউ) : ১৫০X১৩২X১৫০ সে.মি. (±)
* সরবরাহ ক্ষমতা: ১৫০০-২৫০০ কেজি প্রতি ঘন্টায়

প্রস্তুতকারক: আলীম ইন্ডাস্ট্রিজ লি:

তথ্যসূত্র : দি-এডিটর

ব্যাচ ড্রায়ার (ধান, গম, ভুট্টা শুকানোর যন্ত্র)


কোনো কোনো সময়ে যন্ত্রটি ব্যবহার করা হয়: বর্ষা মৌসুমে অতি বৃষ্টির ফলে আলীম ড্রায়ার দিয়ে ধান, গম, ভুট্টা ইত্যাদি সহজে শুকানো যায়৷

যন্ত্রের বর্ণনা: ড্রায়ারের বক্সের ভেতরের ভ্যান এক্সিয়েল ফেনের মাধ্যমে ১৮০০ সি এফ এম প্রেসারে গরম বাতাস প্রবাহিত করে ঘন্টায় ৩০% থেকে ১০% আদ্র॔তা কমিয়ে ধান, গম, ভুট্টা ইত্যাদি স্বল্প খরচ সহজে শুকানো যায় এবং জ্বালানি হিসাবে ডিজেল ও চারকোল ব্যবহৃত হয়৷

যন্ত্রের কারিগরী বিবরণ:

* শক্তি: ৫-৮ অশ্বশক্তি
* তাপমাত্রার পরিমাণ: ৩০০-৫০০ সেঃ
* ওজন: ১.৫ মেঃ টঃ - ২.৫ মেঃ টঃ
* ক্ষমতা: ১০০০-২০০০ কেজি প্রতি শিফটে (২ ঘন্টা)
* আয়তন (দৈXপ্রXউ): ঌX১.২৫X১.২৫ মি. (±)

প্রস্তুতকারক: আলীম ইন্ডাস্ট্রিজ লি:

তথ্যসূত্র : দি-এডিটর

স্বরূপকাঠির পেয়ারা হতে পারে লাভজনক শিল্প


স্বরূপকাঠি ও আশেপাশের এলাকায় বর্ষাকালে ব্যাপকহারে পেয়ারা উৎপাদিত হয়। এটি শুধু রোচক মৌসুমী ফল হিসাবে পরিচিত। সরকারি বা বেসরকারি উদ্যোগ থাকলে ফলটি প্রক্রিয়াজাত করে বছর জুড়ে তা ভোক্তাদের চাহিদা মেটানো ও এ থেকে মোটা অংকের লাভসহ চাষিরা প্রকৃত দাম পেতে পারে।

স্বরূপকাঠিতে প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প স্থাপন করে পেয়ারার অর্থনৈতিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে প্রয়োজন উদ্যোক্তা ও পুঁজির। পিরোজপুর জেলার স্বরূপকাঠি উপজেলার আটঘর কুড়িয়ানা ইউনিয়নভূক্ত বিভিন্ন গ্রাম, পাশের ঝালকাঠি সদর উপজেলা ও বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার পাশাপাশি অবস্থিত অনত্মত ৩০টি গ্রাম পেয়ারা চাষের জন্য বিখ্যাত। এ ছাড়া স্বরূপকাঠির বলদিয়া ইউনিয়নের কিছু এলাকা, নাজিরপুরের দেউলবাড়ী দোবরা, বানারীপাড়ার বিশারকান্দি, সৈয়দকাঠি, উদয়কাঠি ও ইলুহার ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে পেয়ারা চাষ উলেস্নখযোগ্য হারে বেড়েছে।

স্বরূপকাঠি, ঝালকাঠি ও বানারীপাড়া থেকে লঞ্চ, মিনিকার্গো ও ট্রাক যোগে প্রতিদিন শত শত মণ পেয়ারা ঢাকা, রাজশাহী, সিলেট, কুমিলস্না নোয়াখালী, খুলনাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যাচ্ছে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকেও পাইকাররা সরাসরি পেয়ারা ক্রয় করে নিয়ে যাচ্ছে। পাইকারিভাবে পেয়ারা মণ প্রতি ৩৫০/৩০০ টাকায় বিক্রি হয়। বছরে প্রায় ১০ হাজার মেট্রিকটন উৎপাদিত পেয়ারা থেকে এখানকার চাষিরা প্রায় ৯/১০ কোটি টাকা আয় করছে।

সংরক্ষণের অভাবে বাংলার আপেল নামে খ্যাত পেয়ারার ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে চাষিরা। লাভজনক অর্থকরী এ মৌসুমী ফলের চাষাবাদকে টিকিয়ে রাখতে এবং চাষিদের উৎসাহিত করতে সরকারি বা বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় জ্যাম, জেলি ও আচার তৈরির কারখানা ও হিমাগার নির্মাণে এখানকার পেয়ারা চাষিদের দাবি দীর্ঘদিনের।

স্বরূপকাঠি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হূদয়েশ্বর দত্ত বলেন, স্বরূপকাঠি জাতের পেয়ারা বিপুল খাদ্য গুণে সমৃদ্ধ। দেশী ফল হিসাবে এর চাহিদাও ব্যাপক। বর্ষাকালে মাত্র দু’মাসের মৌসুমী ফল হিসাবে ভোক্তারা এ ফলটির স্বাদ পেলেও তা প্রক্রিয়াজাত করে সারা বছরই পেয়ারাকে খাদ্য হিসাবে ভোগ করা যায়।

বিসিকের ম্যানেজার মোজাম্মেল হক জানান, মৌসুমী ফল বলে পেয়ারা ও আমড়া সংরড়্গণে হিমাগার ও তা বোতলজাত খাদ্য হিসাবে প্রক্রিয়াজাত করার জন্য শিল্প স্থাপন লাভজনক হবে। খাদ্য শিল্প ও স্থানীয় পুঁজি বিনিয়োগকারীরা উদ্যোগ নিলে স্বরূপকাঠির বিসিক শিল্পনগরীতে এ জাতীয় একাধিক কারখানা স্থাপন করা যেতে পারে।

সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

জ্বালানিবিহীন সেচপাম্প

Sunday, August 1, 2010



ক্ষেতে সেচ দেওয়ার জন্য কৃষককে এখন তেল, ডিজেল বা বিদ্যুতের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে না। মাঠ ফেটে চৌচির হবে না সেচের অভাবে। যথাসময় কৃষক পানি পাবে। সেই পানি পেয়ে মাঠের ফসল উঠবে ডগমগিয়ে।

চট্টগ্রামের রাউযান উপজেলার নোয়াপাড়া গ্রামের মোঃ জয়নাল আবেদীন জসীম। জ্বালানিবিহীন সেচপাম্প তার তৃতীয় উদ্ভাবন। এর আগে তিনি উদ্ভাবন করেছেন পানি দিয়ে ডিজেল সাশ্রয়ী গাড়ি চালানো, নামেমাত্র বিদ্যুৎ খরচ করে বিদ্যুৎ উৎপাদন। এবার তিনি দীর্ঘ আট বছর গবেষণা করে উদ্ভাবন করেছেন জ্বালানিবিহীন সেচপাম্প। এই সেচপাম্পে কোনো রকম বৈদ্যুতিক চার্জ বা জ্বালানি ছাড়া একাধারে ২০ ঘণ্টা চলতে সক্ষম। প্রথমে একটি ব্যাটারির মাধ্যমে পাম্পটিকে চালু করা হলে পরবর্তীতে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলতে থাকবে দীর্ঘ সময়। সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তি ও কাঁচামাল ব্যবহার করে তৈরি করা জয়নালের সেচপাম্পটি কৃষকের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে থাকবে।

লেখক : এ্যাডভোকেট আলেয়া রাহাত, খুলনাক্ষেতে সেচ দেওয়ার জন্য কৃষককে এখন তেল, ডিজেল বা বিদ্যুতের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে না। মাঠ ফেটে চৌচির হবে না সেচের অভাবে। যথাসময় কৃষক পানি পাবে। সেই পানি পেয়ে মাঠের ফসল উঠবে ডগমগিয়ে।

চট্টগ্রামের রাউযান উপজেলার নোয়াপাড়া গ্রামের মোঃ জয়নাল আবেদীন জসীম। জ্বালানিবিহীন সেচপাম্প তার তৃতীয় উদ্ভাবন। এর আগে তিনি উদ্ভাবন করেছেন পানি দিয়ে ডিজেল সাশ্রয়ী গাড়ি চালানো, নামেমাত্র বিদ্যুৎ খরচ করে বিদ্যুৎ উৎপাদন। এবার তিনি দীর্ঘ আট বছর গবেষণা করে উদ্ভাবন করেছেন জ্বালানিবিহীন সেচপাম্প। এই সেচপাম্পে কোনো রকম বৈদ্যুতিক চার্জ বা জ্বালানি ছাড়া একাধারে ২০ ঘণ্টা চলতে সক্ষম। প্রথমে একটি ব্যাটারির মাধ্যমে পাম্পটিকে চালু করা হলে পরবর্তীতে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলতে থাকবে দীর্ঘ সময়। সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তি ও কাঁচামাল ব্যবহার করে তৈরি করা জয়নালের সেচপাম্পটি কৃষকের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে থাকবে।

লেখক : এ্যাডভোকেট আলেয়া রাহাত, খুলনা

মনের উঠোনে

সাম্প্রতিক সংযোজন

মোবাইল থেকে দেখুন

আমাদের দেশ এখন আপনার মুঠোফোনে, মোবাইল থেকে লগইন করুন আমাদের দেশ

দ র্শ না র্থী

দ র্শ না র্থী

free counters

কে কে অনলাইনে আছেন