কয়েকটি লাইন

Tuesday, February 21, 2012


কয়েকটি লাইন__
আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী আমি কি ভুলিতে পারি |
এক সাগর রক্তের বিনিময়ে দেশের স্বাধীনতা আনলো যারা আমরা তোমাদের ভুলবোনা |
মোরা একটি ফুল কে বাচাঁবো বলে যুদ্ধ করি,মোরা একটি ফুলকে বাচাঁবো বলে অস্র ধরি |
আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি |
সবাইকে পবিত্র মাত্ ভাষার শুভেচ্ছা

Happy Valentines Day!

Tuesday, February 14, 2012


বিশ্ব ভালোবাসা দিবস আজ! সখী ভালোবাসা কারে কয়-বহু বছর আগে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এভাবেই ভালোবাসার অর্থ খুঁজেছিলেন। কারণ, ভালোবাসার অর্থ যে গভীর দ্যোতনাময়। আজ ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। দিনটি শুধুই ভালোবাসার। হৃদয়ের সঙ্গে হৃদয়ের মেলবন্ধনের দিন। প্রিয় মানুষটিকে আরো বেশি কাছে পাওয়ার, আরো বেশি ভালোবাসার জানার ও বোঝার দিন। প্রেমিক-প্রেমিকারা মন খুলে বলবে তাদের হৃদয়ের কথা। ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা 'সেন্ট ভ্যালেন্টাইনস ডে'। প্রেমপিয়াসী হূদয়ের কাছে বিশেষ গুরুত্ব আছে এ দিনটির। বছরের এ দিনকে সারা বিশ্বের তরুণ-তরুণীরা বেছে নিয়েছে হূদয়ের ব্যাকুল কথার কলি ফোটাতে।

তরুণ-তরুণী শুধু নয়, নানা বয়সের মানুষের ভালোবাসার বহুমাত্রিক রূপ প্রকাশ করার আনুষ্ঠানিক দিন আজ। এ ভালোবাসা যেমন মা-বাবার প্রতি সন্তানের, তেমনি মানুষে-মানুষে ভালোবাসাবাসির দিনও এটি। শুধুমাত্র একটি দিন ভালোবাসার জন্য কেন এ প্রশ্নের জবাবে কবি মোহাম্মদ রফিকের ছোট জবাব 'ভালোবাসা একটি বিশেষ দিনের জন্য নয়। সারা বছর, সারা দিন ভালোবাসার। তবে আজকের এ দিনটি ভালোবাসা দিবস হিসেবে বেছে নিয়েছে মানুষ।'

বাংলাদেশে ভালোবাসা দিবস পালনের রীতি খুব বেশি দিনের নয়। মূলত তরুণ-তরুণীদের মধ্যে দিবসটি ঘিরে উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়। বসন্তের প্রথম দিন গেল গতকাল, আজ ভালোবাসার দিন। দুটি দিনই তাদের মধ্যে আনন্দের, উৎসবের। শুধু তারুণ্যই নয়, প্রৌঢ় থেকে শুরু করে শিশু, কিশোর, মধ্যবয়সীদের মধ্যে ছড়িড়ে পড়ে এর আবহ।

বিশ্ব ভালোবাসা দিবস বা ভ্যালেন্টাইন ডে পালনের রীতিটা মূলত ইউরোপীয় ঘরানার। আমাদের দেশে বিগত প্রায় দেড় দশক আগে এ দিবস পালনের সূচনা হয়। তবে বাঙালি সংস্কৃতিতে বসন্ত উৎসব সেই অনাদিকাল থেকেই যাপিত হচ্ছে। সনাতন ধর্মাচারীরা দোলযাত্রা, বাসন্তী পূজা, হোলি উৎসবে প্রণয়কে মুখ্য করে রেখেছিল, তরুণ-তরুণীর ভালোবাসাকে আপন করেছিল। আর এখন ভ্যালেন্টাইন ডে এ দেশের তরুণ-তরুণীদের মধ্যে রূপ পায় এক বিরাট উৎসবে।

স্মৃতির পাতায় ভালোবাসার দিবস : ভালোবাসার গল্পটি শুরু হয়েছিল সেই ২৬৯ খ্রিস্টাব্দে। রোমের চিকিৎসক তরুণ যাজক সেন্ট ভ্যালেন্টাইনের চিকিৎসায় দৃষ্টি ফিরে পেয়েছিল নগর জেলারের দুহিতা। পরে দুজনের মধ্যে মন দেয়া-নেয়া হয়। সেই থেকে জন্ম নিয়েছিল তাদের ভালবাসার অমরগাথা। ভালবাসার অপরাধে সেন্ট ভ্যালেন্টাইনকে ফাঁসিতে ঝুলতে হয় ফেব্রুয়ারির এই ১৪ তারিখে। তারপর এই ভালোবাসার স্বীকৃতি পেতে দুই শতাব্দী নীরবে-নিভৃতে পালন করতে হয়েছে ১৪ ফেব্রুয়ারিকে।

৪৯৬ খ্রিস্টাব্দে রোমের রাজা পপ জেলুসিয়াস এই দিনটিকে ভ্যালেন্টাইন দিবস হিসেবে ঘোষণা করেন। গ্রিক ও রোমান উপকথার মতই ভালোবাসা দিবসের উৎপত্তি নিয়ে আরো গল্প-কাহিনী ছড়িয়ে আছে ভুবনজুড়ে। কে এই ভ্যালেন্টাইন তাও রহস্যাবৃত।
ক্যাথলিক এনসাইক্লোপিডিয়া অনুসারে আমরা তিনজন সেন্ট ভ্যালেন্টাইন বা ভ্যালেন্টিনাসের সন্ধান পাই। তারা সবাই ১৪ ফেব্রুয়ারিতে আত্মদান করেন।

দেশে দেশে ভালোবাসা দিবস: উনিশ শতকেই উত্তর আমেরিকায় ভ্যালেন্টাইন ডে পালিত হয় ব্রিটিশ অভিবাসীদের মাধ্যমে। যুক্তরাষ্ট্রে ব্যাপক হারে ভ্যালেন্টাইন কার্ড বিনিময় শুরু হয় ১৮৪৭ সালে ম্যাসাসুয়েটসের অরকেস্টারে। ইতিহাসবিদদের ভাষায়, দুটি প্রাচীন রোমান প্রথা থেকে এই উৎসবের সূত্রপাত।

চীনে ভালোবাসা প্রকাশের সমৃদ্ধ ইতিহাস রয়েছে। ভ্যালেন্টাইন ডে পালনের আগে তারা বছরের দুই দিন পালন করতো ভালোবাসা দিবস। এখন তো চীনে ব্যাপক হারে দিবসটি পালিত হয়। পশ্চিমা ধাঁচে ১৪ ফেব্রুয়ারিই তারা ভালোবাসা দিবস পালন করে।

ইউরোপের সব দেশেই মহাসমারোহে তরুণ-তরুণীরা এ দিবস পালন করে। মার্কিনিদের মধ্যে ভ্যালেন্টাইন ডে পালনের হার বেশি। জরিপে দেখা গেছে, চার মার্কিনির মধ্যে তিনজনই দিবসটি পালন করে। আমেরিকায় এ দিনে ১৬ কোটি কার্ড, ১৩ কোটি গোলাপ বিনিময় হয়।
ভারতেও ভালোবাসা দিবস পালিত হয় উৎসবের আমেজে। তবে আমাদের দেশের মতো ভারতেও তরুণ-তরুণীরা এ দিবস পালন করে বেশি।

তথ্য সুত্র: মনের উঠোনে

নিমতেলে পোকা দমন

Tuesday, February 7, 2012


নারিকেল অর্থকরী ফসল হওয়ায় গাছটি দেশের সর্বত্রই দেখা যায়। গ্রামগঞ্জ, শহর-নগর সবখানেই লক্ষ্য করা যাচ্ছে আগের মতো এর ফলন হচ্ছে না। তা ছাড়া নারিকেলের গায়ে এক ধরনের ছোট ছোট দাগ দেখা যাচ্ছে। নারিকেল হচ্ছে ছোট এবং বিকৃত ধরনের। 'মুচি' অবস্থায় ডাব ঝরে যাচ্ছে। মুচির সবুজ অংশ এদের খাদ্য। এদের ব্যাপক আক্রমণেই মুচি ঝরে যায়। মুচি যখন ডাবে পরিণত হয় তখন ডাবের গায়ে এদের আক্রমণের চিহ্ন বোঝা যায়। আক্রান্ত ডাবে পানি কম তাকে। অনেক সময় ডাবে পানি থাকেও না। ক্ষতিগ্রস্ত হয় ডাবের মধ্যে থাকা শাঁস বা নারিকেল। তাই সঠিক সময়ে উপযুক্ত ব্যবস্থা না নিলে নারিকেলের ফলন তো কম হবেই সেই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত হবে ডাব কিংবা-নারিকেল। মাকড়নাশক দু'ভাবে গাছে প্রয়োগ করা যেতে পারে। এক. ছোট গাছে স্প্রের মাধ্যমে। দুই. বড় গাছে শিকড়ের মাধ্যমে। মাকড় নিয়ন্ত্রণ করার জন্য বিশেষজ্ঞরা রাসায়নিক নাশক ব্যবহার না করে জৈবনাশক ব্যবহারের জন্য পরামর্শ দেন। প্রতি লিটার পানির সঙ্গে এই তেল মেশাতে হবে। শিকড়ের মাধ্যমে মাকড়নাশক প্রয়োগ করার জন্য লাগবে পাঁচ হাজার পিপিএমের নিমতেল। প্রতিটি গাছের জন্য সাড়ে সাত মি.লি. এই তেল আর সমপরিমাণ জল একটি পলিথিন পাউচে ভরতে হবে। নারিকেল গাছের গোড়া থেকে আড়াই বা তিনফুট দূরে গর্ত খুঁড়লেই পাওয়া যাবে বেশকিছু জীবন্ত শিকড়। যে শিকড়টি পেনসিলের মতো মোটা এবং যার রং গাঢ় ঘিয়ের মতো সেই শিকড়ের মাথাটি কোনো ধারালো জিনিস দিয়ে তেরচা করে কাটতে হবে। এবার নিমতেলের দ্রবণভর্তি পলিথিনের পাউচের মধ্যে শিকড়টি ঢুকিয়ে মুখ বেঁধে গর্তে মাটি ভরে দিতে হবে। নারিকেলের ফলন ভালো পাওয়ার জন্য কেবল মাকড়নাশক প্রয়োগ করলেই হবে না। এর জন্য প্রয়োজন প্রতিবছরই বর্ষার আগে এবং বর্ষার পরে সার প্রয়োগ করাও জরুরি।

মাছ চাষ করে স্বাবলম্বী



সুযোগ ও উদ্যম থাকলে যে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করা যায় তার উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন নওগাঁর জাহাঙ্গীর আলম (৩০)। পেশায় একজন ইলেকট্রিক মিস্ত্রি হলেও বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগিয়ে নিজে স্বাবলম্বী হওয়ার পাশাপাশি স্বাবলম্বী করার চেষ্টা করছেন গ্রামের আরও ৫০জন দরিদ্র পরিবারের তরুণকে। পুকুর পাড়ে লাগিয়েছেন প্রায় ২৫০টি কলা গাছ। তিনি বলেন 'প্রথমে এলাকার তরুণদের সংগঠিত করে একটি সমবায় সমিতি গঠন করি। এরপর একটি পুকুরের ঝোঁপঝাড় পরিষ্কার ও পানি শোধন করে তাতে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ছাড়ি এবং পুকুর পাড়ে প্রায় ২৫০টি দেশীয় মানিক কলার গাছ লাগাই। বর্তমানে পুকুরে থাকা প্রতিটি মাছের ওজন দেড় থেকে দুই কেজি। এ মুহূর্তে মাছ বিক্রি করলে প্রায় দেড় লাখ টাকার মাছ বিক্রি হবে।' গাছের দাম তো রয়েছেই। তার সফলতা এলাকায় অনন্য উদাহরণ সৃষ্টি হয়েছে।

সারের অপপ্রয়োগে জমির শক্তি কমছে


পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কৃষকেরা না জেনে জমিতে দ্বিগুণ সার প্রয়োগ করে আসছে। প্রয়োজন না থাকলেও এমনকি প্রতিযোগিতা করে অনেক জমিতে বেশি সার প্রয়োগ করে। ফলে একদিকে এই এলাকার জমির গুণাগুণ নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে কৃষক আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। উপজেলার কৃষি অফিসসহ একাধিক সূত্র থেকে জানা যায়, কৃষি বিভাগ ও কৃষকদের মধ্যে সমন্বয়ের অভাবে এই এলাকার কৃষকেরা জমিতে সার প্রয়োগের মাত্রা সম্পর্কে সঠিক ধারণা পাচ্ছেন না। সারের যথেচ্ছ ব্যবহার কৃষকদের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি আশানুরূপ ফসলও ফলাতে পারছেন না কৃষকেরা। জমিতে সার প্রয়োগের সময় ও পরিমাণের কথা উল্লেখ করলে দেখা যায়, তারা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি সার প্রয়োগ করছেন। অন্য কৃষকের দেখাদেখি অনেকে প্রতিযোগিতা করেও অহেতুক বেশি সার প্রয়োগ করেন। সার ব্যবহারের নিয়ম সম্পর্কে তারা কিছু জানেন না।

বাউফল উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. আনছার উদ্দিন মোল্লা জানান, 'কৃষক অফিস আসতে চাচ্ছে না। বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরামর্শ দিলেও তারা এ পরামর্শ গ্রহণ করতে রাজি নয়। বিদেশে টাকার বিনিময় কৃষি সেবা গ্রহণ করেন। বাংলাদেশে ফিরে সেবা দিলেও এ সেবা গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানায়। মাটির গুণাগুণ সম্পর্কে কৃষকদের তেমন ধারণা নেই।' মাত্রাতিরিক্ত রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার করায় জমির উর্বরাশক্তি হ্রাস পাচ্ছে। অনেকে জমিতে প্রতিবছর শুধু ধান উৎপন্ন করে। কিন্তু মাটি পরীক্ষা করে অর্থকরী অন্যান্য ফসলও চাষ করা যায়। এতে কৃষকের লাভ বেশি হতো। মাটি পরীক্ষার জন্য তাদের কাছে ওষুধ ও যন্ত্রপাতি রয়েছে। সামান্য ফি দিয়ে কৃষকরা মাটি পরীক্ষা করে নিতে পারেন। কারো একার পক্ষে ফি দেওয়া সম্ভব না হলে সমষ্টিগতভাবে ফি জমা দিতে পারেন। সরেজমিন দেখা গেছে, কৃষক হেমায়েত উদ্দিন জমিতে সার প্রয়োগ করছে। কতটুকু জমিতে কি পরিমাণ সার লাগবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, যত বেশি সার প্রয়োগ করতে পারা যায় ততোবেশি ফল পাওয়া যাবে। উপজেলায় কৃষি অফিস থেকে বিনামূল্যে সার বিতরণ করায় কৃষক জমিতে বেশি সার ব্যবহার করা হচ্ছে। ভালো ফলনের পূর্বশর্ত হলো ভালো বীজ। কিন্তু এই জেলার কৃষক ভালো বীজ পান না। সরকার চাহিদার তুলনায় মাত্র ৫ শতাংশ বীজ সরবরাহ করে। আর প্রত্যায়িত বীজ সরবরাহ করে মাত্র ১ ভাগ। বাকি বীজ কৃষকরা নিজেদের উৎস থেকে সংগ্রহ করেন। কৃষকরা জানেন না বীজ কিভাবে উৎপন্ন ও সংক্ষরণ করতে হয়।

মনের উঠোনে

সাম্প্রতিক সংযোজন

মোবাইল থেকে দেখুন

আমাদের দেশ এখন আপনার মুঠোফোনে, মোবাইল থেকে লগইন করুন আমাদের দেশ

দ র্শ না র্থী

দ র্শ না র্থী

free counters

কে কে অনলাইনে আছেন