আমের কত গুণ!

Thursday, July 28, 2011


ফলের রাজা আম। টসটসে রসে ভরা এই ফল শুধু নামেই নয়, কাজেও ‘রাজা’। মানবদেহের কোষ ধ্বংস রোধ থেকে শুরু করে হৃদরোগ, অল্প বয়সেই বুড়িয়ে যাওয়া, ক্যানসার প্রভৃতি রোধ করতেও আমের জুড়ি নেই। আমাদের চিরচেনা এই ফলের যত গুণ তুলে ধরা হয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়ার অনলাইন সংস্করণে প্রকাশিত এক নিবন্ধে।
—আমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ লোহা। এ কারণে গর্ভবতী নারী ও যারা রক্তাল্পতায় ভুগছেন, তাঁদের জন্য ফলটি খুবই উপকারী। তবে কত বেশি পরিমাণ খাবেন, তা জানার জন্য চিকিত্সকের পরামর্শ নিতে হবে।
—জুতা পরার পর যদি পায়ে সমস্যা হয়, তাহলে ত্বকের ওই অংশে আমের ফালি ১০ মিনিট রাখুন। এরপর ধুয়ে ফেলুন। উপকার পাবেন।
—হজমের সমস্যায় ভুগলে আমই হতে পারে আপনার সবচেয়ে বড় সহায়ক। আমে রয়েছে হজমের জন্য উপকারী এনজাইম। এটি এসিডিটির পরিমাণও কমাবে।
—আম পটাশিয়াম সমৃদ্ধ। এটি উচ্চ রক্তচাপ হ্রাস করে।
—শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান? তাহলে খাদ্যতালিকায় আম রাখতে ভুলবেন না। কারণ আম খেলে প্রচুর পরিমাণ ক্যালরি যেমন মিলবে, তেমনি পাওয়া যাবে শর্করা।
—কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, কিডনিতে পাথর জমার ঝুঁকি কমায় আম।
—আমে রয়েছে ভিটামিন ‘ই’। এটি যৌনশক্তি বৃদ্ধি করে। শরীর গঠনেও সহায়তা করে আম।
—পরীক্ষা নিয়ে ভয়? আপনার ভরসা হতে পারে আম। এর মধ্যে থাকা গ্লুটামিন এসিড মনোযোগ বাড়াতে ও স্মরণশক্তি বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে।
—চীনা চিকিত্সায় আমকে অনেক রোগ উপশমের দাওয়াই হিসেবে দেখা হয়। বলা হয়ে থাকে, রক্ত-স্বল্পতা, সর্দি, জ্বর, সামুদ্রিক ভ্রমণজনিত অসুস্থতা প্রভৃতি দূর করতে আমের জুড়ি নেই।
—যদি এসব কোনো উপকারকেই আপনি গুরুত্ব না দেন, তবু আম খাবেন। কারণ, এটি বছরের সব সময় পাওয়া যায় না।

সাতক্ষীরায় ভেসে গেছে এক হাজার চিংড়িঘের

Saturday, July 23, 2011


টানা দুই দিনের প্রবল বর্ষণে সাতক্ষীরা শহরের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। জেলা সদর, আশাশুনি, তালা ও কালীগঞ্জের প্রায় এক হাজারের বেশি চিংড়িঘের ভেসে গেছে।
গত বুধবার ভোর থেকে শুরু হয় প্রবল বর্ষণ। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বৃষ্টি থামেনি।
গতকাল সাতক্ষীরা পৌরসভার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, শহরের কামালনগর, ইটেগাছা, সবুজবাগ, রাধানগর মেহেদিবাগ, মধুমল্যারডাঙ্গী, পলাশপোল, রসুলপুর, মাঠপাড়া, লস্করপাড়া, সরকারপাড়া, ছুটিতলা, রাজারবাগান, পুরাতন সাতক্ষীরা, মুনজিতপুর রথখোলা, সুলতানপুর, মুন্সিপাড়া, চালতেতলা, কুকরালিসহ অধিকাংশ এলাকায় হাঁটু সমান পানি জমে গেছে। মানুষ ঘর থেকে বের হতে পারছে না। বিশেষ করে মুনজিতপুর, রথখোলা, কামালনগরের একাংশ; ইটেগাছার একাংশ এবং মধুমল্যারডাঙ্গী এলাকায় মানুষের বসতঘরে পানি ঢুকেছে।
সাতক্ষীরা পুলিশ লাইন বিদ্যালয়, পলাশপোল বিদ্যালয়, সিলভার জুবিলী প্রাথমিক বিদ্যালয়, মীর মোকসেদ আলী শিশু বিদ্যাপীঠসহ শহরের অধিকাংশ বিদ্যালয়ের চত্বরে হাঁটু সমান পানি। অনেক বিদ্যালয়ের শ্রেণীকক্ষেও পানি ঢুকেছে।
ভোমরা এলাকার আতাউর রহমান জানান, বৃষ্টিতে ভোমরা বন্দরে আমদানি-রপ্তানি দেরিতে শুরু হয়। শুল্ক অফিসের সামনে পানি জমায় যাত্রীদের দুর্ভোগে পড়তে হয়।
ভোমরা বন্দরের তত্ত্বাবধায়ক নজরুল ইসলাম জানান, বন্দরের শুল্ক অফিসের সামনে পানি থইথই করছে। ঘরের টিন ফুটো হয়ে পানি পড়ে কাগজপত্র নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আবদুল ওয়াদুদ জানান, বিরামহীন বৃষ্টির কারণে ছোট-বড় মিলে হাজার খানেক চিংড়িঘের ভেসে গেছে।
সাতক্ষীরা পৌর মেয়র আবদুল জলিল জানান, পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে পানি জমে গেছে। অনেক নিচু এলাকায় ঘরের মধ্যে পানি ঢুকেছে।


আম রাজ্যে উৎসব

Saturday, July 9, 2011


চাঁপাইনবাবগঞ্জের 'আম অর্থনীতি' এখন চাঙ্গা। প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার বেচাকেনার পাশাপাশি হাজার হাজার মানুষের আম-কাজ আর পর্যটকদের পদচারণায় এখন রীতিমতো মহোৎসব চলছে সেখানে। এ বছর আমের ফলন ভালো হয়েছে।
জেলার প্রায় ২৩ হাজার হেক্টর আম বাগান আর চারটি প্রধান আমের বাজারে এ বছর বেচাকেনা হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। আম নিয়ে ব্যস্ততা চলবে আরো দুই মাস। মাটি ও আবহাওয়ার কারণে সুস্বাদু আম উৎপাদনের জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জের খ্যাতি সেই প্রাচীনকাল থেকে। রুক্ষ-লাল মাটির বরেন্দ্র অঞ্চলেও ঘটে চলেছে আম বিপ্লব। নতুন করে যোগ হয়েছে চরাঞ্চল। সব মিলিয়ে জেলায় এখন আমগাছের সংখ্যা প্রায় ১৮ লাখ। এ বছর আম উৎপন্ন হবে প্রায় সোয়া দুই লাখ মেট্রিক টন।

আমের বাজার
চাঁপাইনবাবগঞ্জে চারটি প্রধান বাজারসহ বিভিন্ন উপজেলায় প্রায় অর্ধশত বাজার রয়েছে। এর মধ্যে দেশের প্রধান আমের বাজার শিবগঞ্জের কানসাট। এটি আমের আদি বাজার। জেলা সদর থেকে ২৭ কিলোমিটার দূরের এ বাজারে এখন আম আর আম। প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তার দুই ধারজুড়ে বাজার। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলে কেনাবেচা।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের মোট আমের ৬০ শতাংশ উৎপাদিত হয় শিবগঞ্জে এবং কানসাট বাজারটি উপজেলার মাঝামাঝি স্থানে থাকায় এখানে প্রতিদিন প্রচুর আম আসে এবং বিক্রি হয়। জেলার ভোলাহাট, গোমস্তাপুর ও সদর উপজেলায়
উৎপাদিত আমের একটা বড় অংশ বিক্রি হয় কানসাট বাজারে।
কানসাট আম আড়তদার সমিতি সূত্র জানিয়েছে, এখানে প্রতিদিন প্রায় ছয় কোটি টাকার আম কেনাবেচা হয়। আম মাপার হিসাবটাও আলাদা। ৪৫ থেকে ৪৮ কেজিতে এক মণ ধরা হয়। এখন প্রতিদিন প্রায় দেড় শ ট্রাক বোঝাই আম যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন স্থানে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের আমের বড় বাজারটি বসে পুরান বাজারে। মহানন্দা নদীর তীরে গড়ে ওঠা প্রাচীন এ আমের বাজার এখন রমরমা। সদর, শিবগঞ্জ ও গোমস্তাপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে নৌকায় বাজারে আসছে আম, যাচ্ছে টাকা।
জেলা সদর থেকে প্রায় ৩৭ কিলোমিটার দূরে রহনপুর। এখানে রেলস্টেশনের সামনে আমের বাজার। গোমস্তাপুর, ভোলাহাটসহ প্রভৃতি এলাকা থেকে আম আসে। এখানে গড়ে ওঠা প্রায় ১২৫টি আড়ত থেকে দেশের পাইকারি ক্রেতারা আম কিনে নিয়ে যায়। সরগরম রহনপুর, তবে ফজলি আম বাজারে এলে এই বাজার আরো তেজি হয়ে উঠবে। সীমান্ত উপজেলা ভোলাহাট। এখানকার আম প্রতিদিন ফাউন্ডেশন বাজারে বেচাকেনা হয়।

ব্যস্ত সবাই
তিন মাসের আম মৌসুম। প্রায় ছয় লাখ মানুষের ব্যস্ত সময় কাটছে। মুকুল পরিচর্যা থেকে শুরু করে আম কেনাবেচা ও মধ্যস্থতার কাজ_এসব নিয়েই কেটে যায় দিন। এ অঞ্চলের প্রান্তিক মানুষ তাকিয়ে থাকে এ সময়ের জন্য। আম মৌসুম মানেই তাদের সুখের দিন।
আমকর্মী কাশেম জানান, 'বাগানে কাজ করার সময় ঠিকমতো খাওয়াদাওয়া পাই আর ম্যালাই (প্রচুর) আম খাইয়্যা শরীরখানটাও তাজা হইয়া য়ায়। বাগান শ্যাষ কোর‌্যা যখন বাড়ি যায় তখন বাড়িআলীট্যা (স্ত্রী) মুখের দিকে তাকিয়্যা থাকে। তাজা মুখখানটা দেখ্যা খুশিই হয়।'

বালাই নিয়ে বিপাকে
রোগবালাই নিয়ে চরম বিপাকে পড়তে হয়। সম্প্রতি গাছে আঠাঝরা রোগসহ কয়েকটি রোগের কারণে প্রচুর গাছ নষ্ট হয়েছে। এ বছর মৌসুমের শুরুতে বাগানে বাগানে পরাগায়ন সমস্যার বাইরে ব্যাপক হারে ফুদকি পোকার আক্রমণে মহালাগা রোগের বিস্তার ঘটে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, বালাই দমনের নামে অধিক মাত্রায় কীটনাশক ব্যবহারের কারণে জীববৈচিত্র্য নষ্ট হচ্ছে। মৌমাছির অভাবে এ বছর রেকর্ডসংখ্যক মুকুল এলেও পরাগায়নে সমস্যা দেখা দেয়। ফলে কয়েকটি জেলায় মুকুলে মুকুলে চিনি স্প্রে করার ঘটনাও ঘটেছে। এদিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ইটভাটার বিষাক্ত কালো ধোঁয়ার কারণেও হাজার হাজার বিঘার শত শত মণ আম বিকৃত হয়ে গেছে। ভাটার কালো ধোঁয়ায় সৃষ্ট 'ব্ল্যাকট্রিপ' রোগে আক্রান্ত আম নিয়ে বিপাকে এখানকার চাষিরা।
গবেষণাকেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. সফিকুল ইসলাম জানান, ইটভাটার চিমনি থেকে বের হওয়া বিষাক্ত কালো ধোঁয়া আম চাষে ভয়াবহ প্রভাব ফেলে। চিমনি থেকে বের হওয়া কার্বন মনোক্সাইড, ইথিলিন গ্যাস আমকে আঘাত করলে বা স্পর্শে এলে আমের বৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হয়। আম নিজস্ব গঠন অনুযায়ী বেড়ে উঠতে পারে না। নিচের অংশ বিকৃত আকার ধারণ করে। শুধু তা-ই নয়, ধোঁয়ার কারণে আমের নিচের অংশ হলুদ আকার ধারণ করে এবং পরে তা কালো হয়ে যায়। যার শেষ পরিণতি পচন। ইটভাটার কালো ধোঁয়া বাগানকে আক্রান্ত করলে প্রতিলিটার পানিতে পাঁচ থেকে ১০ গ্রাম বোরিক এসিড মিশিয়ে চার থেকে পাঁচবার স্প্রে করলে ভালো ফল পাওয়া যাবে।

গবেষণা
১৯৮৫ সালে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৯০ বিঘা জমির ওপর আম গবেষণাকেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হয়। পরে এর নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণাকেন্দ্র। দীর্ঘ গবেষণায় কেন্দ্রের সাফল্য ও ব্যর্থতা নিয়ে নানা কথা থাকলেও সাতটি নতুন জাতের উদ্ভাবন হয়েছে। সূত্র জানিয়েছে, জনবল সংকট আর নানামুখী জটিলতা নিয়েই এখানে চলছে গবেষণা কার্যক্রম।

শেষ কথা
আমের মৌসুম মানেই চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরগরম। কিন্তু ফলন যদি হয় বাম্পার তখন গোটা জেলায়ই চলে বাহারি জাতের সুস্বাদু ও রসাল আমের মহোৎসব। আমশিল্পকে ঘিরে কয়েক বছরে আম প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য একাধিক ছোট-বড় কারখানা গড়ে উঠলেও স্থানীয়দের দাবি, আম সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক; কিন্তু সে দাবি আলোর মুখই দেখছে না।

তথ্য সুত্র : কালের কন্ঠ

বিখ্যাত ১০ আম

গোপালভোগ : শাঁস রসালা আঁশহীন ও সুগন্ধি বলে এই আম অনেকেরই প্রিয়। মাঝারি আকারের এই আমের গড় ওজন ১৮৯ গ্রাম। আঁটি পাতলা, খাদ্যাংশ ৬২ শতাংশ, মিষ্টতা ২১ দশমিক ৮ শতাংশ। বাজারে আসে মধ্য জ্যৈষ্ঠ থেকে আষাঢ়ের প্রথম দিকে।

হিমসাগর : আকারে মাঝারি, গড় ওজন ২১৯ গ্রাম। শাঁস হলুদাভ সবুজ, বেশ রসাল। আঁটি মাঝারি। এই আমের খাদ্যাংশ ৬২ শতাংশ এবং মিষ্টতা ১৬ দশমিক ২ শতাংশ।

খিরসাপাত : হিমসাগরের মতো খিরসাপাতও মাঝারি আকারের আম। এটি বৃহত্তর রাজশাহী অঞ্চলে হয়। গড় ওজন ২৪৪ গ্রাম, আঁটি পাতলা। এই আম আঁশহীন, রসাল ও সুগন্ধি। মিষ্টতা ১৪ দশমিক ৩ শতাংশ, খাদ্যাংশ ৭১ শতাংশ।

ল্যাংড়া : বাজারে বেশ কদর আছে এই আমের। আকারে মাঝারি এই আম খেতে সুস্বাদু। সুগন্ধি ও আঁশহীন। গড় ওজন ২৪০ গ্রাম। আঁটি ছোট। এর খাদ্যাংশ ৭২ শতাংশ আর মিষ্টতা ১৭ দশমিক ৯ শতাংশ। পাকে জ্যৈষ্ঠের শেষে। রাজশাহীতে এই আম ভালো হয়।

ফজলি : আমের মধ্যে ফজলি খুব বড় আকারের। গড় ওজনও বেশি, ৬১০ গ্রাম। এর খাদ্যাংশ ৮১ শতাংশ, মিষ্টতা ১৯ শতাংশ। সুগন্ধি ও রসাল এই আম পাকে শ্রাবণ ও ভাদ্রে। ভালো হয় বৃহত্তর রাজশাহীতে।

আম্রপালি : নীলম ও দশহরি জাতের সংকর আম এটি। ভারতে ছাড়া হয় ১৯৭৮ সালে। এর গাছ খুব ছোট এবং ঝাঁকালো। এক গাছে আম ধরে প্রচুর। পাকলে শাঁস গাঢ় কমলা রঙের হয়। স্বাদে মিষ্টি আর খাদ্যাংশও ভালো, ৭৪ দশমিক ৮ শতাংশ। আম্রপালির গড় ওজন ৩০৭ গ্রাম। মিষ্টতা ১৭ দশমিক ২ শতাংশ। সারা দেশেই এই আম হয়ে থাকে।

সূর্যপুরী : ছোট আকারের আম, দেখতে সরু। গড় ওজন মাত্র ১২৫ গ্রাম। আঁটি পাতলা ও সরু। এই আমের খাদ্যাংশও কম, ৫৬ শতাংশ; মিষ্টতা ১৬ দশমিক ৬ শতাংশ। শাঁস পুরু, আঁশযুক্ত হলেও বেশ রসাল। পাকে আষাঢ়ের শেষ থেকে শ্রাবণ পর্যন্ত। ঠাকুরগাঁওয়ের বিখ্যাত আম এটি। অন্য অঞ্চলে হয় না বললেই চলে।

নীলাম্বরী : গাছপাকা আম খাওয়া দায়। কারণ বেশি পাকলে খাওয়ার অযোগ্য হয়ে পড়ে। কাঁচা আম পেড়ে পাকাতে হয়। ছোট থেকে মাঝারি আকারের এই আমের গড় ওজন হয় ২০০ থেকে ৩৬০ গ্রামের মধ্যে। দেখতে গোল এই আমের অগ্রভাগ সুচালো। বাজারে আসে সাধারণত মৌসুমের শেষ দিকে। নীলাম্বরী হয় যশোর ও সাতক্ষীরা অঞ্চলে।

গোলাপখাস : পাকলে গোলাপ ফুলের গন্ধ আসে বলেই বুঝি এর নাম গোলাপখাস। আকার মাঝারি, গড় ওজন ৩০০ গ্রাম। দেখতে লম্বাটে, বোঁটার দিকের অনেকটা জায়গা গাঢ় লাল, নিচের দিকটা হলুদ। হলদে শাঁসের এই আম খেতে সামান্য টক-মিষ্টি। মৌসুমের শুরুতেই বাজারে আসে। পাকে বৈশাখের শেষ থেকে জ্যৈষ্ঠ পর্যন্ত।

সিন্ধু : ছোট আকারের এই আম খেয়ে যদি ভাবেন চারা করবেন, সম্ভব নয়। কারণ এর আঁটি নেই বললেই চলে। নামমাত্র আঁটি, ভেতরে বীজপত্র নেই। তাই গাছ হয় না। অনেকেই একে আঁটিহীন আম বলে। পাকলেও দেখতে গাঢ় সবুজ, শুধু ওপরের দিকে কিছুটা লালচে হয়। আমটি আঁশবিহীন, স্বাদে খুব মিষ্টি আর গন্ধটাও আকর্ষণীয়।


মনের উঠোনে

সাম্প্রতিক সংযোজন

মোবাইল থেকে দেখুন

আমাদের দেশ এখন আপনার মুঠোফোনে, মোবাইল থেকে লগইন করুন আমাদের দেশ

দ র্শ না র্থী

দ র্শ না র্থী

free counters

কে কে অনলাইনে আছেন